শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
এসএসসি, দাখিল ও এসএসসি (ভোকঃ) পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত শতভাগ পাশকৃত প্রতিষ্ঠান নেই, একজনও পাশ করেনি ২টি মাদ্রাসায় সারের দাবিতে রোপা-আমন চাষিদের মহাসড়ক অবরোধ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক র‍্যাবের মাদকবিরোধী টাউন হল মিটিং অনুষ্ঠিত আয়কর আইন আনীত পরিবর্তন সমূহের উপর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ভারতীয় ইস্কাপ সিরাপসহ ২জন আটক রবি মৌসুমের সবজিতে স্বপ্ন দেখছেন চাষিরা জুয়া খেলায় নিষেধ করায় কলেজ শিক্ষকের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত কৃষকেরা রোপা-আমন ধান চাষে ব্যস্ত সময় পার করছে দলিল লেখক সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন: সভাপতি সিরাজুল ও সাধারণ সম্পাদক হামিদুর ইস্কাপ সিরাপসহ মোটর সাইকেল এবং বিভিন্ন মালামাল জব্দ
ইরি-বোরো ক্ষেত পরিচর্যায় ব্যস্ত কৃষক

ইরি-বোরো ক্ষেত পরিচর্যায় ব্যস্ত কৃষক

আলোর মনি ডটকম ডেস্ক রিপোর্ট: চলতি ইরি-বোরো মৌসুমের এ সময়ে ধান পরিচর্যা করছেন লালমনিরহাট জেলার কৃষক ও শ্রমিকরা। রোপা-আমন শেষে ইরি-বোরো চাষে কোমর বেঁধে মাঠে নামেন তারা। বর্তমানে ধান গাছের পরিচর্যায় যেন দম ফেলার সময় নেই তাদের।

 

কৃষি নির্ভর লালমনিরহাট জেলার ৫টি (লালমনিরহাট সদর, আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম) উপজেলার ৪৫টি ইউনিয়ন ও ২টি (লালমনিরহাট, পাটগ্রাম) পৌরসভার প্রায় ৮০ ভাগ মানুষের ফসল উৎপাদন ও পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় কাটে।

গত রোপা-আমন মৌসুমে বৈরী আবহাওয়ায় অনেক কৃষকের পাকা ধান নষ্ট হয়ে গেছে। তবে ধান ও খড় তেমন পাওয়া যায়নি। বর্তমানে ধানের দাম ভালো।

 

এতে লোকসান কাটিয়ে কোনো রকমে উৎপাদন খরচ জুটছে কৃষকের কপালে। এমনটি বলছিলেন কোদালখাতা গ্রামের কৃষক কমল কান্তি বর্মন।

 

রোপা-আমন কর্তন শেষে ইরি-বোরো চাষে কোমর বেঁধে মাঠে নামেন কৃষক ও শ্রমিকরা। বাড়ির আশপাশে বিস্তীর্ণ ইরি-বোরো ফসলের মাঠ, সবুজে সমারোহ। কেউ ধান গাছের আগাছা পরিস্কার করছেন। আবার কেউ সার ও কীটনাশক প্রয়োগ করছেন। সবুজ পাতায় বাতাসে দুলছে কৃষকের স্বপ্ন।

 

ফুলগাছ গ্রামের কৃষক হযরত আলী ভাষায় এ লালমনিরহাট জেলায় ইরি-বোরো’র বিভিন্ন জাতের ধান রোপণ করা হয়েছে। এরমধ্যে বেশির ভাগ জমিতে হাইব্রীড জাতের ধান চাষ করা হয়।

 

তবে যেসব জমিতে আগাম জাতের আলু রোপণ করা হয়েছে, কেবল ওই জমিতে হাইব্রীড ধান রোপণ হবে।

 

ধান গাছের চেহারায় তিনি মুগ্ধ। পোকার আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শে কীটনাশক প্রয়োগ ও আগাছা পরিস্কারে ব্যস্ত রয়েছেন আর সব কৃষকের মতো তিনিও।

 

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে প্রায় ৮০হাজার হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়।

 

উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সেলিম বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ইরি-বোরো লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে কৃষক গোলায় উঠাবেন সোনার ফসল এমন প্রত্যাশায় আশাবাদি তিনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone